ইসি সচিবের যে বক্তব্য মিসকোট করেছে গণমাধ্যমগুলো

সম্প্রতি, “৫০ লাখ নয়, বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫ কোটি টাকা বহনেও বাধা নেই: ইসি” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কালবেলা, দৈনিক ইত্তেফাক, কালের কন্ঠসহ অন্যান্য গণমাধ্যম।

দেখুন কালবেলা, দৈনিক ইত্তেফাক, কালের কন্ঠ

প্রতিবেদনগুলো থেকে জানা যায়, “ভোটের সময় টাকা বহনের নির্দিষ্ট সীমা নেই জানিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, সোর্স ও ব্যবহারের বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

ভোটের সময় একজন ব্যক্তি কত টাকা বহন করতে পারবেন— এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, টাকা যদি বৈধ হয় এবং এর উৎস বৈধভাবে দেখানো যায়, তাহলে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ব্যক্তিগত কাজে যত খুশি টাকা বহন করা যাবে।

তবে ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়টি দেখবে ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’। টাকা যদি অবৈধ হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।”

তবে নির্বাচন কমিশন থেকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, “আমি সরাসরি বলছি এটা, এটা আমাকে মিসকোট করা হয়েছে। দয়া করে এরকম মিসকোট করবেন না। এটা এটা প্লিজ মিসকোট করবেন না কারণ আমরা এখন একটা কি বলা যেতে পারে একটা ভালো নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে যদি আমরা আমাদের এই অপতথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করি সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক হবে। আমাকে জানতে যেটা চাওয়া হয়েছিল সেটা হচ্ছে যে একটা বোধহয় কোনো একটা অর্থের ব্যাপারে। আমি বলেছি দেখেন যারা এটা ইন্টারসেপ্ট করেছে তারা এ ব্যাপারে সোর্স অ্যামাউন্ট অ্যান্ড পারপাস অফ দি ফান্ডের উপরে তারা সিদ্ধান্ত নিবেন। দ্যাট ইজ দ্য রিজন দ্যাট ইজ দ্য অনলি থিং আই হ্যাভ সেইড। এখন এটাকে যদি এখন দুর্ভাগ্যজনকভাবে মিসকোট করা হয় সেটা আমার আমার জন্য অত্যন্ত অপমানজনক এবং আমি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং আমি আমার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া আপনাদের মাধ্যমে জানাচ্ছি। এরকম অপতথ্য অনুগ্রহ করে দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।” (অপরিবর্তিত)

Facebook
LinkedIn
Twitter
Pinterest

সম্পর্কিত পোস্ট