সম্প্রতি, “নারীদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা জামাতের নেতা চিকিৎসককে গ/ণ/ধো/লা/ই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।” শিরোনামে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।
দেখুন এখানে
ফ্যাক্ট অর ফলস এর যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি
প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলে ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ এ একাধিক গণমাধ্যমে “টামেক হাসপাতালে নারী ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক” শিরোনামে প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। ডেইলি স্টার, সময় টিভি, ইত্তফাক এর প্রতিবেদন সূত্রে আনা যায়, “টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ (টামেক) হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালের পরিচালকসহ অভিযুক্তকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয় এবং পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।”
প্রতিবেদনের কোথাও উল্লেখ এই যে চিকিৎসক রায়হান কবির ইমন জামায়াতের রাজনীতির সাথে যুক্ত।
সুতরাং, নারীদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা রাখা চিকিৎসক জামায়াত নেতা দাবিটি মিথ্যা।
