সম্প্রতি, “ময়মনসিংহের ভালুকায় মামলা ছাড়াই ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আরিফ হোসেন বিল্লালকে নির্মম নির্যাতন করে নিয়ে যাচ্ছে। এর বিচার বাংলার মাটিতে একদিন হবে। আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
দেখুন এখানে
ফ্যাক্ট অর ফলস এর যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খানের নির্বাচনি কার্যালয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় আটক হওয়া উলাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তির ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে। জানা যায়, তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
আলোচিত ভিডিওটির কী-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে দৈনিক যুগান্তরের ওয়েবসাইটে গত ২৭ ফেব্রুয়ারিতে “থানায় হামলার অভিযোগ, যুবকের চুল ধরে টেনে নিয়ে গেল পুলিশ” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সাথে আলোচিত ভিডিওর কি-ফ্রেমের মিল রয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, “ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানার সামনে এ ঘটনা ঘটায় নেতাকর্মীরা থানায় আশ্রয় নিতে যান। এতে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এ ঘটনায় পুলিশ উলাদ হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে। তাকে চুল ধরে থানায় নেওয়ার দৃশ্য সম্বলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দুই পুলিশ সদস্য তাকে চুল ধরে থানায় নিয়ে যান। ওই যুবক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।”
এটি ময়মনসিংহে ঘটা কোনো ঘটনা নয় এবং আটক হওয়া ব্যক্তি ছাত্রলীগের নেতাও নয়।
অর্থাৎ, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আটক এক ব্যক্তির ভিডিওকে ছাত্রলীগের কথিত নেতা আরিফ হোসেন বিল্লালের ভিডিও দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।
