এ্যানি চৌধুরীর টাকা আটক নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা

সম্প্রতি, “বিএনপি’র এ্যনি চৌধুরীর নির্বাচনী গাড়ি থেকে  ২ কোটি টাকা সহ ঝুমুরের সেনাবাহিনীর হাতে আটক” ক্যাপশনে একটি ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

দেখুন এখানে

ফ্যাক্ট অর ফলস এর যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।

যাচাইয়ে Jamuna Television এ “এ্যানির নির্বাচনী গাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় যা বললো প্রশাসন” শিরোনামে একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। যেখানে প্রশাসনের লোককে বলতে শোনা যায়, “চেক করে জানা গেছে এখানে ১৫ লাখ টাকা ছিল, এটা নির্বাচনী ফান্ডের টাকা এবং বৈধ টাকা।”

যমুনা টেলিভিশনে আরো একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। যার শিরোনাম “লক্ষ্মীপুরে এ্যানি চৌধুরীর নির্বাচনী গাড়ি থেকে আটক ১৫ লাখ টাকা যাচাই-বাছাই শেষে ছেড়ে দিয়েছে যৌথবাহিনী”

বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, এটা নির্বাচনী ব্যয়ের টাকা।

প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলে বাহান্ন নিউজে “১৫ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য নেওয়া হচ্ছিল : এ্যানি” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রতিবেদন থেকা জানা যায়, “লক্ষ্মীপুরের ঝুমুর এলাকায় সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এই টাকা নির্বাচনি কেন্দ্রভিত্তিক খরচের টাকা ছিল বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমি নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত রয়েছে। আমার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত গাড়ি চেক করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে ঘটনাটি হয়েছে আমার নির্বাচনি এজেন্ট গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সেখানে যে ব্যয় তন্মেধ্যে ১৫ লাখ টাকা কেন্দ্রভিত্তিক দেওয়ার জন্য আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন। কোর্ট থেকেও তা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি কেন্দ্র খরচ ছিল।

তবে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ রেজাউল হক বলেন, ঝুমুর মোড়ে সেনাবাহিনীর চেক পোস্ট চলছে। গাড়িটি চেক করে টাকাভর্তি ব্যাগ পেয়ে সেনাবাহিনী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট পরিচালনা করে দেখেন যে সেখানে ১৫ লাখ টাকার মতো ছিল। যেহেতু এটি নির্বাচনি ফান্ডের টাকা এবং সব বৈধ কাগজপত্র আছে, বাজেটের ভেতরের টাকা, এতে বিনাশর্তে কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই বিচারক তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে।”

অর্থাৎ, বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির টাকা নিয়ে ছড়ানো দাবিটি মিথ্যা।

Facebook
LinkedIn
Twitter
Pinterest

সম্পর্কিত পোস্ট